ভোলায় প্রতিবন্ধী নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: মূল হোতাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক,
ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলায় ধর্মীয় অনুষ্ঠান (কীর্তন) থেকে বাড়ি ফেরার পথে এক প্রতিবন্ধী নারীকে (২৬) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মূল হোতাসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন—উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শশীগঞ্জ এলাকার মো. ছালেমের ছেলে মো. রাকিব (৩০), একই এলাকার আবদুল মন্নানের ছেলে মো. জুয়েল (৩৫) এবং মাওলানাকান্দি এলাকার মো. আলীর ছেলে আল আমিন সম্রাট (২০)।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভোলা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহীম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী নারী তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান (কীর্তন) দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় আসামিরা তাকে প্রলোভন দেখিয়ে একটি অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তারা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে এবং গুরুতর অবস্থায় শশীগঞ্জ এলাকার একটি রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) তজুমদ্দিন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পরপরই তজুমদ্দিন থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একাধিক টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে। অভিযানে মামলার ১ নম্বর আসামি মো. রাকিব, ৩ নম্বর আসামি মো. জুয়েল এবং তদন্তে প্রাপ্ত আসামি আল আমিন সম্রাটকে তজুমদ্দিনের বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহীম বলেন, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভোলা জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এ ধরনের নেক্কারজনক ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। গ্রেপ্তারকৃতদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে এবং ভুক্তভোগীর চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলায় ধর্মীয় অনুষ্ঠান (কীর্তন) থেকে বাড়ি ফেরার পথে এক প্রতিবন্ধী নারীকে (২৬) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মূল হোতাসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন—উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শশীগঞ্জ এলাকার মো. ছালেমের ছেলে মো. রাকিব (৩০), একই এলাকার আবদুল মন্নানের ছেলে মো. জুয়েল (৩৫) এবং মাওলানাকান্দি এলাকার মো. আলীর ছেলে আল আমিন সম্রাট (২০)।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভোলা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহীম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী নারী তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান (কীর্তন) দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় আসামিরা তাকে প্রলোভন দেখিয়ে একটি অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তারা পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে এবং গুরুতর অবস্থায় শশীগঞ্জ এলাকার একটি রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) তজুমদ্দিন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পরপরই তজুমদ্দিন থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একাধিক টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে। অভিযানে মামলার ১ নম্বর আসামি মো. রাকিব, ৩ নম্বর আসামি মো. জুয়েল এবং তদন্তে প্রাপ্ত আসামি আল আমিন সম্রাটকে তজুমদ্দিনের বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহীম বলেন, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভোলা জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এ ধরনের নেক্কারজনক ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। গ্রেপ্তারকৃতদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে এবং ভুক্তভোগীর চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।




%20.png)
No comments: