Top Ad unit 728 × 90

আপনার বিজ্ঞাপনটি দিতে ইমেইল করুন - whtnews2015@gmail.com

শিরোনাম

{getPosts} $results={6} $label={recent}

সনাতনী বিশ্বাস বা অনুভূতির প্রকাশ — যে সনাতনী (হিন্দু) সম্প্রদায় যারা ভোট দেয়, তারা দেশের প্রতি বিশ্বস্ত থাকে এবং রাষ্ট্রের সাথে কখনো বেইমানি করে না।

শ্রী বাবলু মালাকার,
মতামত ডেস্ক

সনাতনী বিশ্বাস বা অনুভূতির প্রকাশ — যে সনাতনী (হিন্দু) সম্প্রদায় যারা ভোট দেয়, তারা দেশের প্রতি বিশ্বস্ত থাকে এবং রাষ্ট্রের সাথে কখনো বেইমানি করে না।
বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষ একসাথে বসবাস করেন। বাংলাদেশ একটি বহুধর্মীয় রাষ্ট্র, যেখানে মুসলিম, হিন্দু (সনাতনী), বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই নাগরিক হিসেবে সমান অধিকারভোগী।

সংবিধান অনুযায়ী:
ভোট দেওয়া নাগরিকের অধিকার
রাষ্ট্র পরিচালনা করে নির্বাচিত রাজনৈতিক দল
কোনো একটি ধর্মীয় সম্প্রদায় এককভাবে রাষ্ট্রের “ভার নেয়” এমন কাঠামো নেই।

এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
 নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব ও সততা ধর্মনির্ভর নয়।
 ভালো-মন্দ, বিশ্বস্ততা বা বেইমানি ব্যক্তি ও রাজনৈতিক আচরণের বিষয়। রাষ্ট্র পরিচালনা হয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়।

বাংলাদেশ এর ইতিহাসে সনাতনী (হিন্দু) সম্প্রদায় এই ভূখণ্ডের বহু প্রাচীন বাসিন্দা। তারা সংস্কৃতি, ভাষা, শিক্ষা, মুক্তিযুদ্ধ সব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। “ভূমিপুত্র” প্রাচীন বাসিন্দা হিসেবে নিজেদের দেখাটা অনেকের কাছে পরিচয় ও গর্বের বিষয়। একই সঙ্গে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনো সম্প্রদায়কে “ভোট ব্যাংক” হিসেবে ব্যবহার করা— এটা নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। প্রত্যেক নাগরিকের ভোট ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত; কোনো দল বা গোষ্ঠীর মালিকানাধীন নয়।

গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিক সমান অধিকারসম্পন্ন। ভোট দেওয়া ব্যক্তির স্বাধীন সিদ্ধান্ত। কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়কে কেবল নির্বাচনী স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়। নাগরিকদের উচিত সচেতনভাবে দাবি তোলা— নিরাপত্তা, সমঅধিকার, উন্নয়ন ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের জন্য।

আলোচনাটা যদি আমরা গঠনমূলকভাবে করি, তাহলে প্রশ্ন হতে পারে:
সংখ্যালঘু অধিকার বাস্তবে কতটা সুরক্ষিত?
রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পারে?
নাগরিক হিসেবে নিজের দাবি কীভাবে সংগঠিতভাবে তোলা যায়?

আমাদের সনাতনীরদের ০৮ (আট) দফা দাবিসমূহ:
১) সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচারের জন্য "নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন” গঠনের মাধ্যমে "দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল” গঠনপূর্বক দোষীদের দ্রুততম সময়ে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান, ক্ষতিগ্রস্থদের যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
২) অনতিবিলম্বে "সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন” প্রণয়ন করতে হবে।
৩) "সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয়” গঠন করতে হবে।
৪) হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে "হিন্দু ফাউন্ডেশন” এ উন্নীত করতে হবে। পাশাপাশি বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকেও ফাউন্ডেশনে উন্নীত করতে হবে।
৫) "দেবোত্তর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ আইন” প্রণয়ন এবং "অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন" যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হবে।
৬) সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও সকল উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের জন্য "উপাসনালয় নির্মাণ" এবং প্রতিটি হোস্টেলে "প্রার্থনা কক্ষ” বরাদ্দ করতে হবে।
৭) "সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড” আধুনিকায়ন করতে হবে।
৮) শারদীয় দুর্গাপূজায় "৫ দিন রাষ্ট্রীয় ছুটি” দিতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রধান প্রধান ধর্মীয় উৎসবে প্রয়োজনীয় ছুটি প্রদান করতে হবে।

No comments:

অননুমোদিতভাবে কোনও বিষয়বস্তু অনুলিপি করা বা ব্যবহার করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ World Hindu Times All Right Reseved |

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.